আজ : ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সোমবার প্রকাশ করা : জুন ১৭, ২০২০

  • কোন মন্তব্য নেই

    আমি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলাম : ভাবনা

    পর্দার সামনে হাসিখুশি আর পেছনে অনেকেই ভুগছেন মানসিক যন্ত্রণায়। সম্পর্কের টানাপোড়েন, কাজের চাপ থেকে শুরু করে নানা রকম সমস্যায় জর্জরিত। এসব থেকে জন্ম নেয় মানসিক অবসাদ আর যার শেষ হয় আত্মহত্যার মতো ঘটনার মধ্য দিয়ে। সবশেষ বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুত সবাইকে কাঁদিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক চাপ, হতাশা, অবসাদ হেনস্থার শিকার হয়ে মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। আবার আর্থসামাজিক সমস্যা পারিবারিক সংকটের কারণেও অনেকে আত্মহত্যা করছে। তাদের মতে, ধরনের ঘটনা এড়াতে আত্মহত্যা ঠেকাতে সমাজের অন্যান্য ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে এবং কাছের মানুষগুলোর কথা মন দিয়ে শুনতে হবে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

    চার বছর আগে জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনারও আত্মঘাতী হওয়ার প্রবণতা ছিল। প্রতিবারই নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করে নতুন উদ্যমে বেঁচে থাকার সাহস যুগিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক ফেসবুক বার্তায় এমনটাই জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    ভাবনা বলেছেন, ‘লোক দেখানো ভালো থাকতে আমরা অভ্যস্ত!’ শিরোনাম দিয়ে ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘মনের খেয়াল রাখতে আমরা ভুলে যাই।

      আমি আজকে স্বীকার করে নিচ্ছি যে, আমি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলাম। গত বছরের শেষের দিকেও অনেকবার মনে হয়েছে, আমি ডাক্তারের কাছে যাব। appointment নিয়েছি, কথা বলেছি, তারপর লোকে কি বলবে, ডাক্তাররা আমাকে চিনে ফেলবে এই ভয়ে যায়নি। আমার কাছের এবং পাশের মানুষরাও হেসে উড়িয়ে দিয়েছে। বছর আগে আমার সুইসাইডাল টেনডেন্সি ছিল। I was so unhappy and shattered. After my first film release আমি আবারও ভেঙ্গে পড়েছিলাম, তবে সুইসাইড করতে ইচ্ছা হয়নি।

    এসব মানুষের কাছে হয়তো হাসির কথা। কারণ ক্যানসার না, বড় কোনো শারীরিক ক্ষত না, মনের যে ক্ষত তা আমরা কেন উড়িয়ে দেই। আমি প্রতিবার একা একাই যুদ্ধ করে নতুন উদ্যমে বেঁচে থাকি। আজকে আমি এই কথা বললাম কারণ আমি চাই, আমার বন্ধুদের মধ্যে যদি কেউ এমন অনুভব করে থাকে। feel free to call me anytime… কিন্তু আমরা মরে না যাই। আমরা বেঁচে থাকি। প্লিজ  পাশের মানুষটি যদি বলে আমার মন খারাপ, তাকে নিয়ে হাসাহাসি না করে পাশে থাকুন।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *